বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে চলন্ত বাসে সন্তান প্রসব! নবজাতকের নাম ‘আনাস হাসান’ দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার লালমনিরহাটে পুলিশের মতবিনিময় সভা পঞ্চগড়ে রাস্তার পাশের খালে ব্যবসায়ীর মরদেহ, তদন্তে পুলিশ-সিআইডি গাজীপুরে চোরাই গরু উদ্ধার করে বিপাকে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ আদর্শ ইসলামিক ক্যাডেট স্কুলের অভিভাবক সমাবেশ, ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, একই শ্মশানে পাশাপাশি চিতা বকশীগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ! পঞ্চগড় পৌরসভায় ২৭টি ডাস্টবিন বিতরণ তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ, পঞ্চগড়ে ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা পঞ্চগড়ে সুইসগেট ভাঙার এক বছরেও হয়নি সেতু, দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ
পঞ্চগড়ে ভুয়া বিএড সনদে ১৩ বছরে অতিরিক্ত বেতন উত্তোলনের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

পঞ্চগড়ে ভুয়া বিএড সনদে ১৩ বছরে অতিরিক্ত বেতন উত্তোলনের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

মনজু হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার,পঞ্চগড়:: পঞ্চগড়ের -র -এর সহকারী শিক্ষক মো. মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ভুয়া বিএড সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রতি মাসে অতিরিক্ত ৫ হাজার ১৭০ টাকা করে প্রায় ১৩ বছরে প্রায় ৯ লাখ টাকা সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন।

জানা গেছে, মো. মামুনুর রশিদ ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১২ সালের ১ নভেম্বর এমপিওভুক্ত হন। এরপর থেকেই তিনি বিএড স্কেলে বেতন-ভাতা গ্রহণ করে আসছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, এমপিওভুক্তির সময় জমা দেওয়া বিএড সনদে তার নাম ঠিক থাকলেও পিতা-মাতার নাম ও স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট সনদে উল্লেখিত ব্যক্তি দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বিরামপুর আমানুল্লাহ বিদ্যানিকেতনের একজন সহকারী শিক্ষক।

এদিকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইএফটিতে বেতন সংক্রান্ত আবেদন করলে শিক্ষা অধিদপ্তর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে সনদের তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে পুনরায় আবেদন করার নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে পুনরায় আবেদন করলে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল বিএড সনদটি ভুয়া উল্লেখ করে আবেদন বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে বিএড পাসের মূল প্রবেশপত্র, মূল প্রশংসাপত্র, ভর্তি রসিদ ও মূল সনদ নিয়ে ডিডি কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মামুনুর রশিদ বলেন, “আমি দারুল ইহসান পঞ্চগড় ক্যাম্পাস থেকে ২০০৯ সালে বিএড সম্পন্ন করেছি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড সনদটি আমার নয়।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, “আমি আগামী ২৫ মে অবসরে যাচ্ছি। সত্য গোপন করার কিছু নেই। প্রথমে দারুল এহসানের বিএড সনদ দিয়ে এমপিও আবেদন করলে তা বাতিল হয়। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড সনদ দিয়ে এমপিওভুক্তি হয়। তবে সেই সনদ আসল কি না, তা আমি নিশ্চিত নই।”

ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com